A Trade Fair Paragraph (a) What do you mean by a trade fair? (b) Why is a trade fair organized? (c) In Bangladesh where is a trade fair normally arranged? (d) How is the fair arranged? (e) What things are found in a trade fair? A trade fair is a trade fair to display industrial products to familiarize foreign buyers with the country’s exportable products. By organizing trade fairs, we can make people aware of the market prices. We can inform customers about the quality of the products.…
Read MoreCategory: Latest Posts
Birds of Bangladesh Paragraph
Birds of Bangladesh Paragraph (a) How many kinds of birds are there?(b) How do birds help us?(c) Where do the birds normally live?(d) Which are the common birds of Bangladesh?(e) What should be done to prevent birds from being destroyed? Bangladesh is full of various natural things. Birds are also a gift of nature to this country. Birds live close to home, in forests, wetlands and mountains. Different types of birds survive on different foods. Some live on worms and insects, some live on fish and meat and some live…
Read MoreInternational Mother Language Day Paragraph
International Mother Language Day Paragraph (a) What do you mean by International Mother Language Day? (b) When was it declared as an International Mother Language Day? (c) Who got martyrdom for Bangla as mother language? (d) How many countries are enjoying it as an International Mother Language Day? (e) What did Pakistani rulers do? Mother language is a divine gift and blessing for the people of any nation in the world. “International Mother Language Day” is a glorious and unforgettable language martyrs’ day which is celebrated all over…
Read Moreএক অগ্নি উপাসকের কাছে হুযুরের পয়গাম
শিরাযের এক বুজুর্গ হযরত ফাশ (রহমতুল্লাহ আলাইহি) বলেন, আমার ঘরে এক শিশু জন্ম গ্রহণ করে কিন্তু আমার কাছে খরচ করার জন্য কোন টাকা পয়সা ছিল না। তখন মৌসুম ছিল খুবই শীতের, বের হওয়ার উপায় ছিল না। এসব চিন্তা করে শুয়ে পড়লাম। স্বপ্নে হুযুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) এর যিয়ারত নছীব হলো। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, কি ব্যাপার? আমি আরয করলাম, হুযুর ব্যয় ভার বহন করার মত আমার কাছে কিছু নেই, তাই এ নিয়ে খুবই চিন্তায় পড়েছি। হুযুর ফরমালেন, সকালে অমুক অগ্নি উপাসকের ঘরে যেও এবং ওকে বলিও, তোমাকে রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে…
Read Moreস্বপ্নে প্রাপ্ত দুধ
হযরত শেখ আবদুল্লাহ (রহমতুল্লাহ আলাইহি) বলেন, একবার আমি মদীনা মনোয়ারায় মসজিদে নববীর মেহরাবের কাছে এক বুজুর্গ ব্যক্তিকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখলাম। কিছুক্ষণ পর তিনি জেগে উঠলেন এবং জাগা মাত্রই রওজা পাকের কাছে গিয়ে হুযুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) এর প্রতি সালাম পেশ করলেন এবং মুচকি হেসে ফিরে আসছিলেন। সেখানকার একজন খাদেম তাঁর এ মুচকি হাসির কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, আমি খুবই ক্ষুধার্ত ছিলাম। এ অবস্থায় আমি রওজাপাকে এসে ক্ষুধার অভিযোগ করি। স্বপ্নে আমি হুযুরকে দেখলাম। তিনি আমাকে এক কাপ দুধ প্রদান করলেন। আমি পেটভরে সেই দুধ পান করলাম। অতঃপর সেই বুজুর্গ…
Read Moreরোমের বাদশাহের কয়েদী
স্পেনের এক নেককার লোকের ছেলেকে রোমের বাদশাহ বন্দী করেছিল। নেক কার লোকটি হুযুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে আর্জি পেশ করার জন্য মদীনা মনোয়ারার উদ্দেশ্যে যাত্রা দিলেন। রাস্তায় এক বন্ধুর সাথে দেখা হলো, বন্ধু জিজ্ঞেস করলো, কোথায় যাচ্ছ? তখন সে বললো আমার ছেলেকে রোমের বাদশাহ বন্দী করেছে এবং তিনশ টাকা জরিমানা করেছে। আমার কাছে তো এত টাকা নেই যে, যা দিয়ে ওকে মুক্ত করতে পারবো। তাই আমি হুযূর (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) এর কাছে ফরিয়াদ করার জন্য যাচ্ছি। বন্ধুটি বললো মদীনা মনোয়ারা যাওয়ার কি প্রয়োজন আছে। প্রত্যেক জায়গা থেকে তো হুযুরের…
Read Moreখুনীর মুক্তিলাভ
বগদাদের বিচারপতি ইব্রাহিম বিন ইসহাক এক রাতে স্বপ্নে হুযুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) কে দেখলেন, হুয়ুর ওকে ফরমালেন, খুনীকে ছেড়ে দাও। এ নির্দেশ শুনে বাগদাদের বিচারপতি কম্পমান অবস্থায় ঘুম থেকে জেগে উঠলেন। তিনি জেলখানার কর্মকর্তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, আমাদের জেল খানায় এমন কোন অপরাধী আছে কি, যে খুনী? কর্মকর্তারা বললো, হ্যাঁ, এমন এক ব্যক্তি আছে, যার বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ রয়েছে। বিচারপতি নির্দেশ দিলেন, ওকে আমার সামনে হাজির কর। নির্দেশ মত হাজির করা হলো। বাগদাদের বিচারপতি জিজ্ঞেস করলেন, সত্যি সত্যি বল, ঘটনা কি? সে বললো, মিখ্যা কখনো বলবো না। যা বলবো, সত্যিই…
Read Moreদ্বীপপুঞ্জের কয়েদী
হররর ইবনে মীর বাইক বর্ণনা করেন যে, শকর দ্বীপে এক মুসলমানকে শত্রুরা গ্রেফতার করে হাত পা লোহার শিকল দ্বারা বেঁধে জেলখানায় পাঠিয়ে দিল। সেই মুসলমানটি হুযুর (সায়াল্লাহ আলাইহে ওয়াসাল্লাম) এর নাম নিয়ে ফরিয়াদ করলো এবং জোরে জোরে ইয়া রসুলল্লাহ বলতে লাগলো। কাফিরেরা এ শ্লোগান শুনে বললো, তোমার বসুলকে বল, যেন তোমাকে এ বন্দীদশা থেকে মুক্ত করতে আসে। যখন অর্ধরাত হলো, তখন জেলখানায় একজন লোক এসে সেই কয়েদীকে বললো, উঠ, আযান দাও। কয়েদী উঠে আযান দিতে শুরু করলো, اشهد ان محمدًا رَسُولُ الله ওর সর শিকল ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গেল এবং…
Read Moreআটকে পড়া জাহাজ
এক দ্বীনদার ব্যক্তিকে এক কাফির বাদশাহ বন্দী করেছিল। তিনি বলেন, বাদশাহের একটি বড় জাহাজ নদীতে আটকে গিয়েছিল। অনেক চেষ্টা করেও সেটাকে নদী থেকে বের করতে পারলো না। জেলখানা থেকে সমস্ত কয়েদীকে ডেকে আনলো, যেন সবাই মিলে জাহাজটি বের করার চেষ্টা করে। চার হাজারের মত কয়েদী আপ্রাণ চেষ্টা করেও জাহাজকে সরাতে পারলো না। তখন তারা বাদশাহের কাছে দিয়ে বললেন, জেলখানায় যে সব মুসলমান কয়েদী আছে, ওদেরকে বলতে পারেন, হয়তো ওরা জাহাজ সরাতে পারবে। তবে শর্ত হচ্ছে, ওরা সে শ্লোগান দেবে, সেটা থেকে বাঁধা দেয়া যাবে না। বাদশাহ এ শর্ত মেনে নিয়ে…
Read Moreএক সৈয়দজাদী ও এক অগ্নিউপাসক
সমরকন্দে এক বিধবা সৈয়দজাদী বাস করতেন। তাঁর কয়েকজন সন্তান ছিল। একদিন সে তাঁর ক্ষুধার্ত সন্তানদেরকে নিয়ে এক মুসলিম নেতার কাছে গেলেন এবং ওকে বললেন, আমি সৈয়দজাদী, আমার সন্তানগুলো উপবাস। ওদেরকে কিছু খেতে দিন। ধনদৌলতের মোহে বিভোর নাম সর্বস্থ সেই মুসলিমনেতা বললো, তুমি যদি সত্যিকার সৈয়দজাদী হও, তাহলে কোন প্রমান দেখাও। সৈয়দজাদী বললেন, আমি একজন গরীব বিধবা মহিলা, আমার কথা বিশ্বাস করুন, কি দলীল পেশ করবো? নেতা বললো, মুখের কথা বিশ্বাস করি না। দলীল দিতে না পারলে চলে যাও। সৈয়দজাদী সন্তানদেরকে নিয়ে ফিসে গেলেন এবং এক অগ্নিউপাসক নেতার কাছে গেলেন এবং…
Read More