যেদেশের মানুষ এমন একটি সমাজ প্রত্যাশা করে, যেখানে অবিচার, অনাচার ও বৈষম্যের কোনো স্থান থাকবে না—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সমাজে দুর্নীতি, অন্যায় ও বৈষম্য কমাতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের সুফল তখনই অর্থবহ হবে, যখন দেশের প্রতিটি মানুষ সমান সুযোগ ও ন্যায়বিচার পাবে। এজন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর মতে, তরুণ প্রজন্মকে নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে ভবিষ্যতে একটি সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক ন্যায়বিচার ও সুশাসন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে। বিশেষ করে দুর্নীতি ও বৈষম্যবিরোধী অবস্থান জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও মনে করছেন তারা।
বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে এবং এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
