Garena Free Fire MAX Redeem Codes Today

Garena Free Fire MAX Redeem Codes Today

Today’s Garena Free Fire MAX Redeem Codes (December 22, 2024): Garena Free Fire MAX is the enhanced edition of the original Garena Free Fire, a popular battle royale game first launched in 2020. This upgraded version brings players a superior experience with improved graphics, smoother gameplay, expanded game modes, larger maps, and an increased player count, among other exciting features. Best Self Introduction in English For Students (With Examples) Furthermore, as the players advance through the game, they get to personalise their weapons, and characters and earn new rewards. There…

Read More

Best Self Introduction in English For Students (With Examples)

Best Self Introduction in English For Students (With Examples)

Best Self Introduction to Students in English (With Examples) – self introduction in english for students What is Self Introduction? A self-introduction is a short statement or speech in which a person introduces himself to others. It is a way to provide essential information about themselves like their name, background, interests and goals A self-introduction is commonly used in a variety of settings, including social gatherings, interviews, classrooms, and professional networking events. The purpose of a self-introduction is to give others a brief description of who you are and to…

Read More

প্রতিদিনের ইসলামিক গল্প – হযরত ইউসুফ (আ.) ও ফারেগা শাহজাদীর ঈমান আনার কাহিনি

প্রতিদিনের ইসলামী পোস্ট - Get Study Online

প্রতিদিনের ইসলামিক গল্প – হযরত ইউসুফ (আ.) ও ফারেগা শাহজাদীর ঈমান আনার কাহিনি হযরত ইউসুফ (আ.)-কে যখন মিশরের বাজারে বিক্রি করার জন্য আনা হলো, তখন হাজার হাজার নারী-পুরুষ তাঁকে দেখার জন্য ভিড় করেছিল। তাঁদের মধ্য থেকে ফারেগা নামের মিশরের এক শাহজাদী, গাধার পিঠে প্রচুর ধন-সম্পদ নিয়ে ইউসুফ (আ.)-কে ক্রয় করার জন্য এগিয়ে এলেন। ফারেগা যখন হযরত ইউসুফ (আ.)-এর মুখশ্রী দেখলেন, তখন তাঁর চোখ ঝলসে উঠলো এবং তিনি বিস্ময়ে বললেন:“হে ইউসুফ! আপনি কে? আপনার রূপ ও সৌন্দর্য দেখে আমি মুগ্ধ ও অজ্ঞানপ্রায়। আমি আপনাকে কেনার জন্য যে সম্পদ এনেছি, তা আপনার…

Read More

আজিজ মিসর

যে সময় ইউসুফ আলাইহিস সালামকে মিসরের বাজারে আনা হয়েছিল, সে সময় মিসরের বাদশা ছিল আয়ান ইবনে ওলিদ আমলিকী। সে তার রাজত্বের লাগাম কতফির মিসরীর হাতে দিয়ে রেখেছিল। সমস্ত রাজকোষ ওর অধীনে ও কর্তৃত্বাধীনে ছিল। ওকে আজিজ মিসর বলা হতো এবং সে বাদশাহর উজীরে আযম ছিল। যখন ইউসুফ আলাইহিস সালামকে বাজারে। বিক্রির জন্য আনা হলো, তখন প্রত্যেকের মনে তাঁকে পাওয়ার জন্য আগ্রহ সৃষ্টি হলো। ক্রেতারা প্রতিযোগিতা করে দাম বাড়াতে লাগলো। শেষ পর্যন্ত তাঁর ওজন বরাবর সোনা এবং সেই পরিমান চান্দি, মেশক ও রেশমী বস্ত্র মূল্য ধার্য হলো। তাঁর ওজন ছিল চারশ…

Read More

জুলেখা

জুলেখা খুবই সুন্দরী মহিলা ছিলেন। তিনি ছিলেন, তাইমুস বাদশাহের কন্যা। তিনি এক রাত্রে এক অপূর্ব সুন্দর যুবককে স্বপ্ন দেখলেন এবং ওকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কে? সে জবাব দিল আমি আজিজ মিসর। জুলেখার মনে এ স্বপ্নটা ভীষন রেখাপাত করলো এবং সর্বক্ষন সেই স্বপ্নটা তাঁর মনে জাগরুক রইলো। বড় বড় বাদশাহের পক্ষ থেকে বিবাহের প্রস্তাব আসলো, কিন্তু তিনি অসম্মতি জ্ঞাপন করলেন। এবং নিজের মনোভাব ব্যক্ত করে বলে দিলেন যে, তিনি আজিজ মিসর ব্যতীত অন্য কাউকে বিবাহ করবেন না। অতএব শাহ তাইমুস আজিজ মিসরের সাথে স্বীয় কন্যার বিবাহ দিয়া দিলেন। জুলেখা আজিজ মিসরকে…

Read More

সৌন্দর্যের প্রভাব

জুলেখা হযরত ইউসুফের প্রেমে স্বীয় হুঁশ জ্ঞান হারিয়ে ফেলে ছিলেন। তাঁর এ প্রেমের কথা সারা মিসরে ছড়িয়ে গেল। অভিজাত ঘরের মহিলারা বলাবলি করতে লাগলো যে জুলেখা একটি যুবকের প্রেমে বিভোর হয়ে স্বীয় মান মানি), লজ্জা-শরমের কোন তোয়াকা করলো না। জুলেখা যখন তাঁর সম্পর্কে এ সব সমালোচনা শুনলেন, তখন একটি দাওয়াতের আয়োজন করলেন এবং এতে মিসরের অভিজাত পরিবাবের চল্লিশ জন মহিলাকে দাওয়াত দিলেন। মাওয়াত কৃত মহিলাদের মধ্যে ওসব মহিলারাও ছিল, যারা জুলেখার সমালোচনা করতো। জ লেখা ওদের বসার জন্য প্যান্ডেল তৈরী করালেন। একান্ত ইজ্জত সন্মানের সাথে ওদেরকে বসালেন এবং ওদের সামনে…

Read More

বাবুর্চী ও শরাব পরিবেশনকারী

জ্বলেখা ইউসুফ আলাইহিস সালামকে কোনঠাসা করার ও তাঁর বশে আনার উদ্দেশ্যে যে কোন বাহানায় ওনাকে জেল খানায় পাঠিয়ে দিলেন। যেদিন ইউসুফ আলাইহিস সালাম জেলে গেলেন, সেদিন তাঁর সাথে আরও দু’জন যুবককেও জেল খানায় প্রবেশ করানো হয়। এ দু’জন মিসরের বাদশাহ আমলেকীর বিশিষ্ট অনুচর ছিল। একজন ছিল শরাব পরিবেশন কারী এবং অপর জন ছিল বাবুর্চী। উভয়ের বিরুদ্ধে বাদশাহকে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ ছিল। জেল খানায় হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম তাঁর জ্ঞান গরিমা প্রকাশ করতে লাগলেন। তিনি। তথায় তৌহিদের প্রচার শুরু করলেন, এবং তিনি এটাও প্রকাশ করলেন যে, তিনি স্বপ্নের ভাবীর খুবই ভাল…

Read More

বাদশাহের স্বপ্ন

মিসরের বাদশাহ আয়ান বিন ওলীদ আমলেতী এক রাত্রে স্বপ্ন দেখলো যে, সাতটি রিষ্টপুষ্ট। গাভী, যেগুলোকে সাতটি দুর্বল গাড়ী খাচ্ছে এবং সাতটি তরতাজা গমের শীষ যেগুলোকে সাতটি শুকনো শীষ খাচ্ছে। বাদশাহ এ অদ্ভুত স্বপ্ন দেখে খুবই চিন্তিত হয়ে পড়লেন। বড় বড় যাদুকর ও ভবিষ্যদ্বক্তার কাছে এ স্বপ্নের ভাবীর জিজ্ঞেস করলেন, কিন্তু কেউ এ স্বপ্নের ভাবীর করতে পারলো না। বাদশাহের শরাব পরিবেশন কারী, যে জেল খানায় ছিল এবং ইউসুফ আলাইহিস সালামের তাবীর মুতাবেক স্বীয় পদে বহাল হয়েছিল, সে বাদশাহকে বললো, জেলখানায় এমন একজন আলেম আছেন, যিনি স্বপ্নের তাবীর করার ব্যাপারে খুবই বিজ্ঞ।…

Read More

রাজমুকুট লাভ

হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালামকে জেল থেকে মুক্তি দেয়ার পর, বাদশাহ আয়ান ইবনে ওলীদ খুবই সম্মানের সাথে তাঁকে তার পাশে সিংহাসনে বসালেন এবং যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, সেটা ইউসুফ আলাইহিস সালামকে নিজেই বর্ননা করলেন এবং ইউসুফ আলাইহিস সালামের পবিত্র মুখ থেকে এর তাবীর শুনলেন। হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম প্রথমে বাদশাহের দেখা স্বপ্ন সবিস্তারে বর্ননা করলেন। অতঃপর বিস্তারিত ভাবে পুরা স্বপ্ন হুবহু শুনায়ে দিলেন। এটা শুনে বাদশাহ আশ্চর্য হয়ে গেল এবং বললো, স্বপ্নতো অদ্ভুত ছিল কিন্তু এর থেকে অদ্ভুত হলো আপনার হুবহু বলে দেয়াটা। যাহোক তাবীর শুনে বাদশাহ ইউসুফ আলাইহিস সালামের পরামর্শ…

Read More

ইউসুফ ও জুলেখা

হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম মিসরের বাদশাহ হয়ে গেলেন, সমগ্র মিসর তাঁর অধীনে এসে গেল। জুলেখার স্বামী আজিজ মিসর মারা গেল এবং জুলেখা দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে কিছু মনি মুক্তা সাথে নিয়ে এক জংগলে চলে গেল এবং সেখানেই একটি কুটীর বানিয়ে বসবাস করতে লাগলো। তখন তার সেই রূপ লাবন্য ও যৌবন বিলীন হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তখন হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালামের উত্থান ও ক্ষমতার ডংকা বাজতে ছিল আর জুলেখা এক কিনারে অখ্যাত হয়ে পড়ে রইল। একদিন হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম সৈন্য সামন্ত সহ খুবই শান শওকতের সাথে সেই জংগল দিয়ে যাচ্ছিলেন। জুলেখা জানতে…

Read More