ভ্লাদিমির পুতিন সতর্ক করে বলেছেন, ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে পুরো বিশ্বকে এর চরম মূল্য দিতে হতে পারে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
পুতিনের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধ শুধু আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে না, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতি, জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপরও গভীর প্রভাব ফেলবে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য বিশ্ব জ্বালানি বাজারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হওয়ায় সেখানে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত শুরু হলে তেল ও গ্যাসের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেতে পারে। এর প্রভাব পড়বে বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্য, পরিবহন এবং শিল্পখাতে।
পুতিন আরও ইঙ্গিত দেন, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কূটনৈতিক সমাধান এবং আন্তর্জাতিক সংলাপ জরুরি। তিনি যুদ্ধের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানান।
এদিকে আন্তর্জাতিক মহলেও ইরান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিভিন্ন দেশ আশঙ্কা করছে, সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে তা বৈশ্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, রাশিয়ার এই অবস্থান মূলত মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সামরিক সংঘাত এড়ানোর কৌশলগত বার্তা। একই সঙ্গে এটি বিশ্ব অর্থনীতির সম্ভাব্য ঝুঁকির প্রতিও ইঙ্গিত বহন করছে।
বর্তমানে বিশ্বনেতাদের নজর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির ওপর কেন্দ্রীভূত রয়েছে এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কতটা সফল হয়, সেটিই আগামী পরিস্থিতি নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে।
