সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি পদত্যাগপত্র লিখেছিলেন, তবে সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়ার সুযোগ পাননি। এমন দাবি করেছেন মতিউর রহমান চৌধুরী।
রোববার (৩১ মে) ইউটিউবভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম The Post-এর এক আলোচনায় তিনি বলেন, শেখ হাসিনা তিন পৃষ্ঠার একটি পদত্যাগপত্র প্রস্তুত করেছিলেন। চিঠিতে তিনি দেশের জন্য নিজের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের উল্লেখ করে শেষ অংশে পদত্যাগের কারণও লিখেছিলেন।

তার দাবি অনুযায়ী, পদত্যাগপত্রটি টাইপ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশ টেলিভিশন-এর একজন কর্মীকে। তবে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতির কারণে সেটি সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।
মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, সে সময় গণভবনের চারপাশে মানুষের উপস্থিতি বাড়ছিল এবং সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দ্রুত স্থান ত্যাগের তাগিদ দেওয়া হচ্ছিল। ওয়াকিটকির মাধ্যমে বারবার জানানো হচ্ছিল যে হাতে আর বেশি সময় নেই।
তার ভাষ্যমতে, তড়িঘড়ি করে বের হওয়ার সময় শেখ হাসিনা নিজের ভ্যানিটি ব্যাগটি চেয়ারের ওপর ফেলে যান। পরে গাড়িতে ওঠার সময় সেনাবাহিনীর এক ব্রিগেডিয়ার কর্মকর্তাকে ব্যাগটি নিয়ে আসতে বলেন। সেই ব্যাগেই পদত্যাগপত্রটি ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এসব তথ্য মতিউর রহমান চৌধুরীর ব্যক্তিগত দাবি ও বক্তব্য। এ বিষয়ে কোনো সরকারি নথি, আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত তথ্য এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি।
