দরসে হাদিসঃ সন্তান-সন্তুতিকে নৈতিক শিক্ষাদান আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ কোথায় যাচ্ছে? ইসলাম কী বলে চরিত্র গঠনের বিষয়ে? সন্তান আল্লাহর দেওয়া এক মহান নিয়ামত। এই নিয়ামতকে সঠিক পথে পরিচালনা করা যেমন পিতা-মাতার দায়িত্ব, তেমনি তা একটি ইবাদতের সমতুল্য। বর্তমান যুগে সন্তানদের মাঝে আদর্শ, নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। কারণ শিশুকালেই তাদের অন্তরে যে শিক্ষা রোপণ করা হয়, সেটিই তাদের পরবর্তী জীবনের ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সন্তানদের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন—নবীপ্রেম, আহলে বাইতের প্রতি ভালোবাসা, এবং কুরআন তিলাওয়াত। এই তিনটি গুণ একজন শিশুকে একজন…
Read MoreAuthor: onlgetinstudye
নারী-পুরুষ এক সাথে জামাআত আদায় করা যাবে কিনা?
নারী-পুরুষ এক সাথে জামাআত আদায় করা যাবে কিনা? প্রশ্ন: কিছু দিন পূর্বে পরপর ২টি মসজিদে দেখতে পেয়েছি জামাতের পর বারান্দায় পুরুষের কাতারের সমানে ও পেছনে ২/১ মহিলা নামায আদায় করছে। যা দেখতে মসজিদের পরিবেশের আদবের বিপরীত মনে হলো। প্রশ্ন হলো, এভাবে নামায আদায় করা মহিলাদের জন্য শরীয়তে আছে কিনা? জানালে উপকৃত হবো। উত্তর: মুসলিম মহিলাদের জন্য পর্দা সহকারে ঘরের ভিতরে নামায আদায় বেশি প্রিয় অত্যন্ত ফজিলতময় এবং তাদের ইজ্জত-আবরু রক্ষার জন্য বড়ই উপকারী। তবে হজ্জ এবং উমরার ক্ষেত্রে আলাদা/ভিন্ন কথা। এ মহিলা বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা…
Read Moreঅযুর ফজিলত ও গুরুত্ব: পবিত্রতা, গুনাহ মোচন ও সওয়াব অর্জনের উপায়
অযুর ফজিলত ও গুরুত্ব: পবিত্রতা, গুনাহ মোচন ও সওয়াব অর্জনের উপায় ইসলামে পবিত্রতার গুরুত্ব অপরিসীম। একজন মুসলমানের দৈনন্দিন জীবনে পবিত্রতা অর্জনের অন্যতম মাধ্যম হলো অযু। এটি শুধুমাত্র নামাজের পূর্বশর্তই নয়, বরং আত্মিক ও শারীরিক পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমও বটে। অযুর মাধ্যমে শুধু শরীরের ময়লাই দূর হয় না, বরং গুনাহও মোচন হয়। প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ صَلَّی اللّٰہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم অযুর ফজিলত সম্পর্কে অসংখ্য হাদিসে আলোচনা করেছেন, যেখানে উল্লেখ রয়েছে যে, প্রতিটি অযুর জলকণার সঙ্গে আমাদের গুনাহ ঝরে যায়। তাই একজন মুমিনের জন্য উচিত, প্রতিটি ইবাদতের পূর্বে বিশুদ্ধ নিয়তে অযু করা…
Read Moreনামাযের কাতারে ফাঁকা রাখা: কতটুকু দূরত্ব রাখা উচিত?
প্রশ্নোত্তর: নামাযের কাতারে একে অপরের মধ্যে কতটুকু ফাঁকা রাখা দরকার? প্রশ্ন: নামাযের কাতারে একে অপরের মধ্যে কতটুকু ফাঁকা রাখা যায়। কোন কোন মুসল্লিকে দেখা যায় একেবারে গা ঘেঁষে ঘেঁষে দাঁড়ায়, আবার কেউ কেউ উভয় পা-কে বিস্তর ফাঁক করে দাঁড়ায়। যা অস্বস্তির কারণ হয়। দয়া করে সঠিক পদ্ধতি জানালে কৃতজ্ঞ হবো। উত্তর: কোন প্রকারের ওজর বা অসুবিধা না হলে নামাযে দাঁড়ানো অবস্থায় দু’পায়ের মাঝখানে চার (৪) আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁক রাখা মুস্তাহাব এবং দু’পা-কে সোজা রেখে পায়ের আঙ্গুলগুলোকে কিবলা মুখী করে রাখা সুন্নাত। বিশ্ববিখ্যাত ফতোয়া গ্রন্থ ‘রদ্দুল মুহতার’-এ উল্লেখ রয়েছে-وينغتى أن يكون بينهما…
Read Moreরমজানে ৩০ দিনের দোয়া: প্রতিদিনের দোয়া ও তার গুরুত্ব
রমজানে ৩০ দিনের দোয়া: প্রতিদিনের দোয়া ও তার গুরুত্ব রমজান মাস মুসলিম বিশ্বের জন্য একটি পবিত্র সময়, যা আত্মশুদ্ধি, ইবাদত এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাস। এই মাসে রোজা রাখা, ইবাদত করা এবং দোয়া পড়া একান্ত গুরুত্বপূর্ণ। রমজান মাসের প্রতিটি দিনেই আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের অসীম সুযোগ রয়েছে। তবে, আপনি যদি সঠিকভাবে দোয়া করেন, তবে আপনার রোজার স্বীকৃতি আরও বেশি হবে। এই ব্লগে আমরা আপনাকে রমজান মাসের ৩০ দিনের দোয়া নিয়ে জানাবো, যা প্রতিদিনের জন্য উপকারী এবং আপনার আধ্যাত্মিক উন্নতির পথপ্রদর্শক হতে পারে। এই দোয়াগুলি শুধু রোজার সময়েই নয়, প্রতিটি মুসলিম জীবনের…
Read Moreরোজা,সাহরি ও ইফতারের নিয়ত
রোজাদারের মর্যাদা ও রমজানের রোজা রাখার ফজীলত রমজান হল আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের এক মহান মাস। এ মাসে রোজা পালন মুসলমানদের জন্য ফরজ করা হয়েছে, আর রোজার শুরু ও শেষের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল সাহরি ও ইফতার। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে, রোজা রাখার জন্য সঠিক নিয়ত করাও অত্যন্ত জরুরি। এই ব্লগে আমরা জানবো রোজার নিয়ত, সাহরি ও ইফতারের সময় পড়ার দোয়া, এবং কেন এগুলো আমাদের ইবাদতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক নিয়ম অনুযায়ী নিয়ত করলে আমাদের রোজা আরও পূর্ণতা পাবে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব হবে। চলুন জেনে নেই বিস্তারিত!…
Read Moreরমজানের বরকত: রোজার ফজিলত ও আধ্যাত্মিক উপহার যা আপনি মিস করতে চান না!
রমজানের বরকত: রোজার ফজিলত ও আধ্যাত্মিক উপহার যা আপনি মিস করতে চান না! রোজার গুরুত্ব: রমজানে যা জানা দরকার শয়তানকে জিঞ্জিরায় বন্দী করা হয় :-★ হযরত সায়্যিদুনা আবু হুরাইরা(রাদ্বিআল্লাহ্ তা’আলা আনহু) ইরশাদ করেন, হুজুর আকরাম হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন, যখন রমযান মাস আসে তখন আসমানের দরজা খুলে দেয়া হয়।(বুখারী শরীফ, খন্ড-১ম, পৃষ্ঠা ৬২৬,হাদীস নং-১৮৯৯) (সহীহ মুসলিম, পৃ-৫৪৩,হাদীস নং-১০৭৯)। (সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৮০৫, ৫৫৮৩ ও সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৭৬০) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,‘‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াবের আশায় রামাদান মাসে রোযা রাখবে, তার পূর্বের…
Read More