হযরত নূহ আলাইহিস সালাম যখন আল্লাহর নির্দেশে কিশতী বানাতে শুরু করলেন, তখন এক মুমিন বৃদ্ধা নূহ আলাইহিস সালামকে জিজ্ঞেস করলো, আপনি এ কিশতী কেন তৈরী করতেছেন? তিনি বললেন, এক মহা প্লাবন হবে, সেটায় সব কাফির ডুবে মারা যাবে এবং মুমিনগণ এ কিশৃতীর বদৌলতে বেঁচে যাবে। বুড়ী আরয করলো, হুযূর যখন তুফান আসার সময় হবে, তখন আমাকে খবর দিবেন যেন আমিও কিশতীতে আরোহন করত পারি। বুড়ীর কুড়ে ঘর শহর থেকে কিছু দূরে ছিল। তাই দুহ আলাইহিস সালাম অন্যান্য লোকদেরকে কিশতীতে উঠাতে ব্যস্ত হয়ে যাওয়ায় বুড়ির কথা মোটেই স্মরণ ছিল না। শেষ…
Read MoreAuthor: Md Imran Hossen
হযরত ওযাইর আলাইহিস সালাম ও আল্লাহর কুদরতের বিস্ময়কর নিদর্শন
ইসরাইল বংশের লোকেরা যখন আল্লাহর নাফরমানীতে সীমা অতিক্রম করলো, তখন আল্লাহ তাআলা বখতে নছর নামে এক জালিম বাদশাহকে ওদের উপর চাপিয়ে দিলেন। সে বনী ইসরাইলীদেরকে হত্যা, গ্রেপ্তার ও উৎখাত করলো এবং বায়তুল মুকাদ্দাসকে ধ্বংস ও ধুলিসাৎ করেদিল। হযরত ওযাইর আলাইহিস সালাম একদিন শহরে এসে দেখলেন যে শহর বিরান হয়ে গেছে। সারা শহরে কোন লোকজন দেখা গেল না। শহরের সমস্ত ইমারত বিধ্বস্ত দেখলেন। এ দৃশ্য দেখে তিনি ভীষণ আশ্চর্যান্বিত হয়ে বললেন- اني يحى هذه الله بعد موتها. এ মৃত শহরকে আল্লাহ পুনরায় কিভাবে জীবিত করবেন। তিনি এক গাধার উপর উপবিষ্ট ছিলেন…
Read Moreহযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম ও চারটি পাখী
হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম একদিন সমুদ্রের কিনারে একটি মরা মানুষ দেখলেন। তিনি দেখলেন যে সমুদ্রের মৎস্যকূল লাশটি খাচ্ছে। কিছুক্ষণ পর দেখা গেল যে কয়েকটি পাখী এসে লাশটি খেতে লাগলো। এর কিছুক্ষন পর আবার দেখা গেল যে বনের কিছু হিংস্র প্রাণী এসে সেই লাশটি খেতে লাগলো। তিনি এ দৃশ্য দেখে তাঁর মনে মৃতকে জীবিত করার দৃশ্যটা দেখার দরুন আগ্রহ সৃষ্টি হয়। অতএব তিনি আল্লাহর কাছে আরয করলেন, হে আল্লাহ! আমার বিশ্বাস আছে যে আপনি মৃতদেরকে জীবিত করবেন এবং ওদের অংগ প্রত্যংগ সামুদ্রিক প্রাণী, পশু পাখীর পেট থেকে সংগ্রহ করবেন। কিন্তু আমি এ…
Read Moreহযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালামের কুঠার
হযরত ইব্রাহীম আলাইসিস সালাম যখন জন্ম গ্রহণ করেন, এখন নমরুদের যুগ ছিল এবং মূর্তি পুজার খুবই প্রসার ছিল। হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম একদিন ওসব অগ্নি উপাসকদের বললেন, তোমাদের এটা কি ধরণের আচরণ যে, এসব মূর্তিদের সামনে মাথানত করে থাক। এরা তো উপাসনার উপযুক্ত নয়। একমাত্র আল্লাহ তাআলাই উপসনার উপযোগী। ওসব লোকেরা বললো, আমাদের বাপ-দাদাদের যুগ থেকে এ সব মূর্তিদের পুজা হয়ে আসতেছে। কিন্তু এখন তুমি এমন এক লোক সৃষ্টি হলে যে, ওসব মূর্তিদের পূজা থেকে বাঁধা দিচ্ছ। তিনি বললেন, তোমরা ও তোমাদের বাপ-দাদারা সবাই গুমরাহ। আমি যা বলছি, তাই হচ্ছে…
Read Moreহযরত ইব্রাহীম খলীলের সাথে নমরুদের বিতর্ক
হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম যখন নমরুনতে আয়াহর ইবাদত করার জন্য আহবান জানালেন, তখন ইব্রাহীম ও সমরুলের মধ্যে নিম্নের বিতর্ক হয়েছিলঃ নমরুদ। কে তোমার আল্লাহ, যার ইবাদত করার জন্য ভূমি আমাকে বলছ? হযরত খলীল আলাইহিস সালাম: তিনিই আমার আল্লাহ, যিনি জীবিতও ধরেন এবং মেরেও ফেলেন। নমরুদ: এ যোগ্যতাতো আমারও আছে। এখনই আমি জীবিত করে দেখাচ্ছি এবং মেরেও দেখাচ্ছি। এ বলে নমরুদ সুজন ব্যক্তিকে ডাকলো, ওদের একজনকে হত্যা করে ফেললো এবং অপরজনকে ছেড়ে দিল। অতঃপর বলতে লাগলো, দেখ, একজনকে আমি মেরে ফেলেছি এবং অপর জনকে গ্রেপ্তার করে ছেড়ে দিয়েছি, যেন ওকে জীবিত…
Read Moreনমরুদের অগ্নিকুন্ড
অভিশপ্ত নমরুদ হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালামের বিরুদ্ধে বির্তকে যখন নবায়িত হলো, তখন আর কিছু করতে না পেরে হযরতের জানের দুশমন হয়ে গেল এবং তাঁকে বন্দী করে ফেললো, অতঃপর চার দেয়ালের এক কাঠামো তৈরী করে ওখানে নানা ধরনের লাকড়ীর স্তূপ করলো এবং আগুন জ্বালিয়ে দিল, যার উত্তাপে আকাশে উড়ন্ত পাখী জ্বলে যেত। এরপর একটি নিক্ষেপন হাতিয়ার। তৈরী করলো, ওটার সাথে হযরত ইব্রাহীমকে বেঁধে আগুনে নিক্ষেপ করলো। হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালামের মুখে তখন এ কলেমা জারী ছিল। خشبي الله نعم الوكيل )আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। তিনি উত্তম কার্য নির্বাহক) এদিকে নমরুদ হযরত…
Read Moreহযরত জিব্রাইল আলাইহিস সালামের পরিশ্রম
হুযুর (সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একবার জিব্রাইল আলাইহিস সালামকে জিজ্ঞেস করলেন, হে জিব্রাইল। তোমাকে কি কোন সময় খুব দ্রুত গতিতে আসমান থেকে পৃথিবীতে অবতরণ করতে হয়েছিল? জিব্রাইল জবাব দিলেন, হ্যাঁ, ইয়া রসুলুল্লাহ। চার বার এ রকম হয়েছে, খুবই দ্রুত গতিতে আমাকে পৃথিবীতে অবতরণ করতে হয়েছিল। হুযুর ফরমালেন, কোন কোন অবস্থায় সেই চার বার অবতরণ করতে হয়েছিল? জিব্রাইল আরয করলেন, প্রথমবার, যখন হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালামকে আগুনে নিক্ষেপ করা হলো, তখন আমি আরশের নিচে ছিলাম। আমাকে আল্লাহ নির্দেশ দিলেন, জিব্রাইল, আমার খলীল আগুনে পতিত হওয়ার আগে তুমি এক্ষুনি তথায় পৌছে যাও। তখন…
Read Moreছেলে কুরবানী
হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম এক রাত্রে স্বপ্ন দেখলেন, কোন ব্যক্তি অদৃশ্য থেকে আওরাজ করে বলছে, হে ইব্রাহীম। আপনার উপর আল্লাহর নির্দেশ হয়েছে, নিজ সন্তানকে আল্লাহর রাস্তায় জবেহ করে দিন। যেহেতু নবীগণের স্বপ্ন সঠিক ও ওহী সদৃশ হয়ে থাকে, সেহেতু তিনি তাঁর প্রিয় সন্তান হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালামকে আল্লাহর পথে কুরবানী করতে প্রস্তুত হয়ে গেলেন। হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম তখন অল্প বয়স্ক ছিলেন বিধায় তাঁকে শুধু এতটুকু বলেছেন, বেটা, রশি ও ছুরি নিয়ে আমার সাথে চলো, এ বলে স্বীয় সন্তানকে নিয়ে। তিনি জংগলে পৌছলেন। হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম জিজ্ঞেস করলেন, আব্বাজান!…
Read Moreশাখরীদ না উস্তাদ?
হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম যখন একটু বড় হলেন এবং এদিক সেদিক ঘুরাফেরা করতে লাগলেন, তখন মরিয়ম আলাইহিস সালাম ওনাকে নিয়ে এক ওস্তাদের কাছে গেলেন এবং ওনাকে পড়াতে বললেন। ওস্তাদ হযরত ঈসা আলাইহিস সালামকে বললেন, হে ঈসা। পড়, বিসমিল্লাহ। ঈসা আলাইহিস সালাম বললেন-বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। ওস্তাদ পুনরায় বললেন, বল আলিফ, বা, জীম, দাল। ঈসা আলাইহিস সালাম বললেন, আপনি কি জানেন, এ বর্ণ গুলোর অর্থ কি? ওস্তাদ বললেন, এ বর্ণগুলোর অর্থ তো আমি জানিনা। ঈসা আলাইহিস সালাম বললেন, তাহলে আমার থেকে শুনুন। আলিফ দ্বারা আল্লাহ, বা দ্বারা অল্লাহর সন্তুষ্টি, জ ীম দ্বারা…
Read MoreWomen in development
(a) How do we consider the women of our country? (b) How have women proved their ability in different jobs? (c) In which sector do the women work mainly? (d) How can we engage the women in the development of the country? (e) In rural areas how are the women treated? There was a time when women were confined within the four walls of their husband’s or father’s house. But at present women are taking part in the development program of any country. Our national poet Kazi Nazrul Islam praises…
Read More